আরিফুর রহমান আরিফ : | শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | 7 বার পঠিত
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় প্রবাসী বাংলাদেশি সাকিব আলীর (৩০) জানাজায় স্মরণকালের বৃহত্তম সমাগম হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নিহত সাকিব আলী অ্যামাজন মিউজিকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৬ এপ্রিল ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো প্রবাসী কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।
ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসকরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি জর্জিয়ার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক ও শাকিরা আলী বাচ্চির একমাত্র সন্তান। একা বসবাস করায় মৃত্যুর পর তার মরদেহ দুই দিন অ্যাপার্টমেন্টে পড়ে ছিল বলে জানা যায়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ফোনে যোগাযোগ না পেয়ে আটলান্টা থেকে তার বাবা-মা লস অ্যাঞ্জেলেসে যান। পরে পুলিশ ও ভবনের সুপারভাইজারের সহায়তায় দরজা খুলে বেডরুমে তার নিথর দেহ পাওয়া যায়।
ময়নাতদন্ত শেষে ৭ এপ্রিল মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ৮ এপ্রিল লস অ্যাঞ্জেলেসের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ইসলামিক সেন্টারে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ আটলান্টায় নেওয়া হলে ১০ এপ্রিল শুক্রবার বাদ জুমা জর্জিয়া ইসলামিক ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনায় বেথেলহেম ইসলামিক সেন্টারে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় মুসলিম কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাযায় উপস্থিত ছিলেন জর্জিয়া স্টেট সিনেটর শেখ রহমান ও সিনেটর নাবিলা ইসলামসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবাসী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সাকিবের বাবা ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক সন্তানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য, তথ্যপ্রযুক্তিতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পর সাকিব আলী প্রথমে এটিএন্ডটি-তে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে অ্যামাজনে যোগ দিয়ে ফ্লোরিডা হয়ে ছয় মাস আগে পদোন্নতি পেয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে বদলি হন। সেখানে মেরিনা ডেল রে এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে একা বসবাস করছিলেন তিনি।
Posted ৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah