ডা. তমা রানী পাল | শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 236 বার পঠিত
“আসুন, গর্ভকালীন যত্ন নিয়ে স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করি”
১. নিয়মিত ANC ভিজিটের গুরুত্ব
• অন্তত ৮ বার চিকিৎসক/স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে ভিজিট করুন
• রক্তচাপ, রক্ত, প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে জটিলতা আগেই শনাক্ত হয়
• নিয়মিত ANC মা’কে মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করে
২. স্বাভাবিক প্রসবের উপকারিতা বোঝান
• কম ঝুঁকি, কম খরচ
• মা ও শিশু দুজনের দ্রুত সুস্থতা
• ভবিষ্যতে গর্ভধারণে কম জটিলতা
৩. জন্ম পরিকল্পনা (Birth Plan) তৈরি করুন
• ANC-এর সময়ই পরিবারসহ আলোচনা করে পরিকল্পনা তৈরি করুন
• স্বাভাবিক প্রসবকে অগ্রাধিকার দিন, শুধু চিকিৎসাগত প্রয়োজনে সিজার
৪. স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকে সম্পৃক্ত করুন
• স্বামী/শাশুড়ি ও পরিবারের সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
• পরিবারকে জানাতে হবে, সব সময় সিজার করা দরকার হয় না
৫. কমিউনিটি পর্যায়ে প্রচার বাড়ান
• কমিউনিটি ক্লিনিক, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার
• বাস্তব উদাহরণ ও ভিডিওর মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি
স্লোগান:
“জন্ম হোক নিরাপদ, স্বাভাবিক হোক প্রসব!”
“গর্ভকালীন যত্ন নিন, সিজারের ঝুঁকি কমান!”
—
প্রসূতি ও গাইনি বিশেষজ্ঞ সার্জন
ডা. তমা রানী পাল
এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (অবস্ এন্ড গাইনি)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল
সিসিডি (বারডেম), ঢাকা
কনসালটেন্ট, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
বিএমডিসি রেজিঃ নং: এ ৬৬৬২১
Posted ২:৩৮ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah