ফরিদ আহমেদ,নবীনগর : | শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 84 বার পঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ গ্রামে ঘটেছে হৃদয়বিদারক এক ঘটনা। মানসিকভাবে অসহায় এক নারী, যাকে এলাকাবাসী “পাগলী মুক্তা” নামে চেনে, তার কোলজুড়ে এসেছে একটি কন্যাশিশু। তবে শিশুটির বাবার পরিচয় নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্থানীয় কেউই।
জানা গেছে, নিজের ভালো-মন্দ বোঝার সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও ওই নারী হয়েছেন পাশবিক নির্যাতনের শিকার। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও রহস্য কাটছে না।
স্থানীয় সূত্র বলছে, এমন ঘটনা হঠাৎ করে ঘটার নয়। দীর্ঘদিন ধরেই ওই নারী নিরাপত্তাহীন অবস্থায় এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। কিন্তু তার সুরক্ষায় কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ কারণে এখন প্রশ্ন উঠেছে—এই দায় এড়াবে কে?
এদিকে, নবজাতক শিশুটি জন্মের পর থেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তার পরিচয়, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সচেতন মহল বলছে, শিশুটির কোনো দোষ নেই; তার অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব।
অনেকে মনে করছেন, মাদকাসক্তি ও সামাজিক অবক্ষয়ের কারণেই এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। নেশার প্রভাবে মানুষ মানবিকতা হারিয়ে ফেলছে, যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে নিরীহ ও অসহায় মানুষদের।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারী ও নবজাতক শিশুর চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
সচেতন মহলের মতে, শুধু নিন্দা নয়—এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজন কঠোর নজরদারি, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ।
Posted ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah