সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য : | শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | 80 বার পঠিত
বরিশলের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে গেলে মন ভারী হয়ে যেত। সীমানাপ্রাচীর নেই, রক্ষণাবেক্ষণ নেই — প্রিয়জনকে শেষ বিদায় দিতে এসে চোখে পানি আসত ভিন্ন কারণেও। আর ঈদগাহ মাঠটি? বছরে দুইবার ঈদের নামাজ ছাড়া যেন কেউ খোঁজ রাখত না। এই দুটি স্থানের করুণ দশা দীর্ঘদিন ধরে বরিশলবাসীর মনে কষ্ট দিয়ে আসছিল।
সেই কষ্টের কথা কানে গেছে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী ও ভূঞা গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবীর আহমেদ ভূঁইয়া এই দুটি স্থানের উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ আদায়ে নিরলস চেষ্টা চালিয়েছেন। এবার সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হলো। এলজিইডির “সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২” প্রকল্পের আওতায় ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বরিশল ঈদগাহ উন্নয়নে ৬৪ লক্ষ এবং বরিশল কেন্দ্রীয় কবরস্থান উন্নয়নে ২কোটি ১৫ লক্ষ — মোট ২কোটি ৭৯ লক্ষ টাকার সরকারি বরাদ্দ নিশ্চিত হয়েছে।
বরিশলের এক বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দা আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, আমাদের বাপ-দাদারা এই কবরস্থানে শুয়ে আছেন। তাঁদের কবর যদি ঠিকঠাক না থাকে, সেটা আমাদের লজ্জার। কবীর সাহেব সেই লজ্জা ঘোচানোর ব্যবস্থা করলেন — আল্লাহ তাঁকে কবুল করুন।
এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক মো. আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত স্মারকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী প্রকৌশলীকে দ্রুত প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রাক্কলন অনুমোদন হলেই শুরু হবে নির্মাণকাজ।
এলাকাবাসী বলছেন, কবীর আহমেদ ভূঁইয়া সেতু বানান, স্টেডিয়াম আনেন, পৌরসভার দাবি তোলেন — আর এবার মৃতের ঘুমের জায়গা আর জীবিতের নামাজের মাঠেও নিয়ে এলেন সরকারি অর্থ। এই মানুষটি এলাকার প্রতিটি প্রয়োজনই অনুভব করেন — এটাই তাঁকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করে তোলে।
Posted ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah