সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য : | শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | 24 বার পঠিত
আজ ১৬ মে শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ডক্টরস ফর হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট “হামে শিশুমৃত্যু: জনস্বাস্থ্য সংকট ও উত্তরণের পথ হামের চলমান মহামারিতে প্রাণ হারানো সকল কোমলমতি শিশুদের স্মরণ করা হয়। সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডক্টরস ফর হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. সারওয়ার ইবনে সালাম এর সঞ্চালনায়
মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. এম এইচ ফারুকী। প্যানালিষ্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জন্স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম আবু সাঈদ, ডা. মুশতাক হোসেন, মিডিয়া ব্যাকিত্ব ডা. এম এইচ চৌধুরী লেলিন, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম, সংগঠনের সহ সভাপতি অধ্যাপক ডা. শাকিল আখতার। সংবাদ সম্মেলনে এই সংকটের কারন হিসেবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা ও টিকাদান ব্যবস্থার বড় গাফিলতি বা খামখেয়ালিপনা, সময়মত টিকা দেওয়ার ঘাটতি, টিকা ক্রয় ও মজুদের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা, ভিটামিন এ খাওয়ানো কর্মসূচি বিগত অন্তর্বর্তি সরকারের সময়ে বন্ধ থাকা এবং ২০২০ সালের পর হাম ক্যাম্পেইন কার্যক্রম ২০২৪ এর ডিসেম্বরে না হওয়া। সংবাদ সম্মেলনে নিম্নলিখিত দাবী সমূহ তুলে ধরা হয়।
১. চলমান গণটিকাদান কর্মসূচি সারাদেশে বিশেষ ভাবে জোরদার করা যাতে দেশের প্রায় শতভাগ শিশু পূর্ণমাত্রায় টিকার আওতায় আসে। ২. সকল সরকারি হাসপাতালে বিশেষ “হাম কর্ণার” চালু কর এবং সেখানে প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করা । ৩. ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুদের নিয়মিত (৬ মাস অন্তর) ভিটামিন-এ খাওয়ানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৪. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং টিকা উৎপাদনে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৫. ৬ টি বিভাগে জনগণের টাকায় নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা এবং রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি জোগাড় চালু রাখা।
৬. জরুরী ভিত্তিতে স্বাস্থ্যখাতে শুন্য পদ সমূহে নিয়োগ প্রদান করা ।
৭. মাঠ পর্যায়ে টিকা বহনকারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন অনতিবিলম্বে পরিশোধ করা
৮. আসন্ন জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৭ থেকেই স্বাস্থ্য খাতে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা।
৯. জাতীয় বাজেটের ১৫% ও জিডিপির ৫% স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ রাখা ।
১০. সকল উপজেলা হাসপাতাল ১০০ শয্যায় এবং সকল জেলা হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা এবং সকল হাসপাতালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী শয্যা অনুপাতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ কর্মী নিয়োগ প্রদান করা।
Posted ১:২৩ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah