সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য : | সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 43 বার পঠিত
জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রথম প্রান্তিকের প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা তথ্য অফিসের ব্যবস্থাপনায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কলে যুক্ত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ নাবিলা নুঝাত এবং বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আবদুল জলিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের হতদরিদ্র ও নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে সহায়তার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলা ও এলাকায় ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন উপকারভোগীকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন নারী সদস্যকে এ কার্ডের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা স্বল্পমূল্যে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন। সম্ভাব্য সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরিতে সমাজসেবা বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কাজ করছেন।
বক্তব্যে জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদনগরে ৭৭৬ জনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সুবিধাভোগীদের তথ্য যাচাই করছে।
এ সময় কৃষক কার্ড কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করা হয়। জানানো হয়, ২০২৬ সালের মার্চ ও এপ্রিল মাস থেকে কৃষি মন্ত্রণালয় পরীক্ষামূলকভাবে কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
পরীক্ষামূলকভাবে ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে বীজ, সার, কৃষিঋণ, ভর্তুকিসহ বিভিন্ন কৃষি সহায়তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের একটি ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থার আওতায় এনে কৃষি সহায়তা সহজ ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে জেলা ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম গ্রাম আদালত আইন, বিধিমালা ও এর সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
পরে জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাসের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উঠান বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
Posted ১:৩৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah