শুক্রবার ৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনই যে কাজগুলো করেন নীতা আম্বানি

অনলাইন ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   487 বার পঠিত

তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনই যে কাজগুলো করেন নীতা আম্বানি

৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাইরের খাবার খান না তিনি। চিনি ছাড়া ঘরে বানানো খাবারই তার পছন্দ। তারুণ্য ধরে রাখতে এইরকম আরও অনেক কাজ প্রতিদিনই করেন নীতা আম্বানি। ভারত তথা এশিয়ার সবচেয়ে ধনীতম শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানি। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তির স্ত্রী হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তিনি রাজকীয়ভাবে জীবন যাপন করেন। সকাল থেকে রাত্রিতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি কোটি কোটি টাকার জিনিস ব্যবহার করেন। অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত তিনি। পৃথিবীতে এমন কোন লাক্সারি বস্তু নেই যা তিনি ব্যবহার করেন না। এভাবে রোজকার মতো লাইমলাইটে থাকেন তিনি।

৬০ ছুঁই ছুঁই বয়সেও নীতার চেহারার গ্ল্যামার অটুট।

নিজের রূপকে সুস্থ রাখতে তিনি ভরসা করেন স্ট্রিক্ট রুটিনের ওপর। নীতা প্রতিদিন রাত ১০-১১ টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন এবং ভোর ৫ টায় উঠে যান। তার দিন শুরু হয় শরীর চর্চার সাথে। তারপর ব্রেকফাস্ট করেন তিনি। কোনরকম ফাস্টফুড ছুঁয়েও দেখেননা। অন্তত দুই বেলা বিটের জুস পান করেন। বিটের জুস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, স্টেমিনা ধরা রাখতে সহায়তা করে। আর ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে বিটের বিকল্প নেই। তার সৌন্দর্যের রহস্য পানি। প্রতিদিন যখনই সময় পান, পানি পান করেন, পান করেন ডাবের পানি। যা শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন দূর করে। ত্বককে করে তোলে উজ্জ্বল।

দিনে যত কাজের চাপই থাকুক, শরীরচর্চায় বিন্দুমাত্র ভুল করেন না তিনি। নিয়ম করে যোগব্যায়াম করেন। যোগব্যায়ামের পর সাঁতার। সাঁতার খুবই ভালো ব্যায়াম। সবুজ শাকসবজির বেশ বড় ভক্ত নীতা। প্রতিদিনের খাবারে টাটকা শাকসবজি খান নীতা।

Facebook Comments Box

Posted ৪:৫৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০২৪

brahmanbaria2usa.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক ও প্রকাশক : আরিফুর রহমান আরিফ

ARIFUR RAHMAN ARIF ( + 1 203-727-4273)

প্রধান সম্পাদক : হাকিকুল ইসলাম খোকন
সহসম্পাদক : মিম রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : সঞ্জিব ভট্টাচার্য
আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর অঞ্চল : আলহাজ্ব জায়দুল কবির ভাঙ্গী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : মিনহাজুল আবেদীন পলাশ
বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ দুলাল মিয়া