সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য : | বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | 57 বার পঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়েশা (১০) নামে এক শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসক দম্পতির বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী আয়েশা জেলার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল এলাকার বাসিন্দা রাকিব মিয়ার মেয়ে।
পরিবারের অভিযোগ, প্রায় ৯ মাস আগে আত্মীয়ের মাধ্যমে আয়েশাকে শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকার বাসিন্দা চিকিৎসক নোমান ও কিমিয়া সাদাত তোফার বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে পাঠানো হয়। তবে গত তিন মাস ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।
এ অবস্থায় সম্প্রতি চিকিৎসক দম্পতি আয়েশার পরিবারকে জানান, সে বাসা থেকে পালিয়ে গেছে। পরে কোনো খোঁজ না পেয়ে গত ২৬ এপ্রিল সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন পরিবার।
জিডির সূত্র ধরে বুধবার সকালে পুলিশ পাশের একটি বাড়ি থেকে আয়েশাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সন্ধ্যায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আয়েশার বাবা রাকিব মিয়া অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। তার শরীরজুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে চিকিৎসক নোমান বলেন, তার স্ত্রী গর্ভবতী থাকায় সন্তানদের দেখাশোনার জন্য আয়েশাকে রাখা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, গত ২২ এপ্রিল আয়েশা তাদের বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডির ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নির্যাতনের বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Posted ১:২৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah