সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য : | সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | 66 বার পঠিত
‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (৬ জুলাই) জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে র্যালি, গাছের চারা বিতরণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সাঈদ মো. গাউছাল আজম, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা।
স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সদর ইউসিসিএ লিমিটেডের সভাপতি মো. আলী আজম, সমবায়ী প্রতিনিধি মো. আবু হানিফ, দেলোয়ারা বেগম ও মো. ফরিদ মোল্লাসহ অন্যান্যরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় কার্যক্রম গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, পল্লী উন্নয়ন ত্বরান্বিত হলে দেশের সার্বিক উন্নয়নও এগিয়ে যাবে। এ জন্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি ক্ষুদ্রঋণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ঋণ বিতরণে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং উদ্যোক্তাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি পল্লী উন্নয়ন মেলার আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বাজারজাতের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমবায় ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। এসব অনিয়ম দূর করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন এবং তার আগে একজন প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, সরকারি ঋণের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার এবং সময়মতো কিস্তি পরিশোধে উদ্যোক্তাদের সচেতন হতে হবে। তিনি উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানের শেষে সফল সমবায়ী সদস্যদের ক্রেস্ট এবং সফল ম্যানেজারদের মধ্যে কমিশনের চেক প্রদান করা হয়।
Posted ১২:৪৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah