আরিফুর রহমান | মঙ্গলবার, ০১ অক্টোবর ২০২৪ | প্রিন্ট | 234 বার পঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসকরা কি লিখছেন তা নজরদারী করে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা। চিকিৎসকদের চেম্বার থেকে কোনো রোগী বের হলেই ১০-১২ জন প্রতিনিধি রোগীকে ঘিরে ধরে রোগীর হাত থেকে ব্যবস্থাপত্র ছিনিয়ে নিয়ে মোবাইল ফোন দিয়ে একের পর এক ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
এনিয়ে গত শনিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, সাধারণ রোগীরা যে কতটা অসহায় এদের কাছে, এর একটা চিত্র ফুটে তুলেছেন আমাদের প্রতিবেদক।
রিপোর্ট অনুসারে, বিষয়টি এমন যে একজন চিকিৎসক তিনি স্বাধীনভাবে রোগীর প্রয়োজনীয় টেস্ট দেবেন। প্রযোজনীয় ওষুধ লিখবেন, এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে এটা অনেকাংশেই সম্ভব হচ্ছে না বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।
ডাক্তার কী কী ওষুধ লিখলেন, কোন কোন কোম্পানির ওষুধ লিখলেন, তা দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠেন কিছু ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি। যা মোটেই কাম্য নয়। অবশ্যই আমি সবার কথা বলছি না। কারণ সবাই এটা করে না। সব চিকিৎসকও এই মনগড়া কোম্পানির ওষুধ লিখে না।
তবে একটা বিষয় উদ্বেগজনক, তাহলো ডাক্তারের চেম্বার থেকে রোগী বের হলে তার হাত থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে ছবি তোলাটা বোধ করি ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিপন্থী। একজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় ডাক্তার জানবেন, আপনি জানার কে? এটা মেনে নেওয়া যায় না। এটা অন্যায়।
অহেতুক টেস্ট বাণিজ্যের নামে রোগী হয়রানী যারা করে তারা সেবা দেয় না, তারা ব্যবসা করে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
কোনো রোগীর প্রেসক্রিপশন অন্য কেউ দেখাটা ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যহার অনৈতিক। এটার বিষয়ে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে।
সর্বোপরী চিকিৎসাক্ষেত্রে কোনো প্রকার নৈরাজ্য চলতে দেওয়া যাবেনা। এবিষয়ে আমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। সবাই সচেতন হলেই এই জায়গাটা সংস্কারের আওতায় চলে আসবে।
Posted ২:৪৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০১ অক্টোবর ২০২৪
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah