সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য : | মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 0 বার পঠিত
বিকেল থেকেই ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি আসতে থাকে। চড়ুই, শালিক, বাবুইসহ নানা রকম হাজার হাজার পাখি এসে বসে গাছের ডালপালায়। সন্ধ্যা পযর্ন্ত কিচিরমিচির শব্দে মুখর করে রাখে পুরো এলাকা। রাতে গাছে আশ্রয় নিয়ে পরদিন ভোরে আবারও চলে যায় আহারের সন্ধ্যানে। বিকালে আবারও ফিরে একই স্থানে। এভাবেই চলছে বহু বছর ধরে। পাখির এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের খড়মপুর শাহপীর কল্লা শহীদ (রহ:) মাজার শরীফ চত্বরে। পাখির কলতানে মুগ্ধ হয় মাজারে আগত দর্শনার্থী ভক্ত মেহমান।
জানা যায়, খড়মপুর মাজার শরীফের জামে মসজিদের সামনের খোলা চত্বরে আম জাম, বকুলসহ ৭/৮ টি গাছ রয়েছে।
সারাদিন এসব গাছে পাখি তেমন দেখা যায় না। তখন পরিবেশ অনেকটা শান্ত নিরব থাকে । বিকেল হলেই শুরু হয় পাখিদের আনাগোনা। দল বেধে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি এসে গাছে বসে কিচিরমিচির করতে শুরু করে। পাখিগুলো সন্ধ্যার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মনোমুদ্ধকর শব্দে মাতিয়ে রাখে পুরো এলাকা। পাখির কলতানে এক অপূর্ব পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মাজারে আগত দর্শনার্থী ও মসজিদের মুসল্লীরা পাখির কিচিরমিচির শব্দ উপভোগ করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকটি ৬টি গাছে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি এসে বসছে। গাছের ডালপালা ও পাতার ফাঁকে ফাঁকে পাখি দাপাদাপি করছে। মসজিদের রেলিংসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনার উপর বসে আছে। কানে আসে ভিন্ন রকম আওয়াজ। মনে অন্য রকম ভালোলাগা সৃষ্টি হয়।
মাজার শরীফ জামে মসজিদের সহকারী ইমাম মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, এখানে চড়ুই, শালিক, বাবুই, ঘুঘুসহ ৫/৬ প্রকার পাখি আছে। পাখির সাথে প্রকৃতির একটা নিবিড় সম্পর্ক আছে। পাখিরা অলীর দরবারকে নিরাপদ মনে করে এখানে। কেউ তাদের ক্ষতি করে না।
খড়মপুর মাজার শরীফ পরিচালনা কমিটির সদস্য আল কাবার খাদেম বলেন, প্রতিদিন বিকেল হলেই চড়ুই পাখিগুলো ঝাঁকে ঝাঁকে এসে গাছে বসে। পাখিগুলোর কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত করে তুলে এলাকা। আবার সন্ধ্যা হওয়া মাত্র পরিবেশ একদম নিরব হয়ে যায়।
মাজার কমিটির সদস্য রনি খাদেম বলেন ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি বিকেল বেলা হাজার হাজার পাখি গাছে বসে কিচিরমিচির করে। শুনতে খুব ভালো লাগে।
Posted ১:৪২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah